বানান

অনুস্বার (ং) ও ঙ-এর ব্যবহার

সন্ধিতে ম বর্ণের পরে ক, খ, গ, ঘ, য, র, ল, ব, শ, স, হ ইত্যাদি বর্ণের যে-কোনো একটি বর্ণ থাকলে সন্ধিবদ্ধ শব্দে পূর্বের ম-এর স্থানে সাধারণত অনুস্বার (ং) হয়।
যেমন—
১. সম্+কীর্ণ = সংকীর্ণ
২. সম্+কলন = সংকলন
৩. সম্+কর = সংকর
৪. সম্+কট = সংকট
৫. সম্+গীত = সংগীত
৬. সম্+গঠন = সংগঠন
৭. সম্+গতি = সংগতি
৮. সম্+ঘাত = সংঘাত
৯. সম্+ঘটক = সংঘটক
১০. সম্+ঘর্ষ = সংঘর্ষ
১১. সম্+যম = সংযম
১২. সম্+যুক্ত = সংযুক্ত
১৩. সম্+যোগ = সংযোগ
১৪. সম্+রক্ষণ = সংরক্ষণ
১৫. সম্+শয় = সংশয়
১৬. সম্+হার = সংহার
১৭. সম্+হতি = সংহতি
১৮. সম্+বাদ = সংবাদ
১৯. সম্+সার = সংসার
২০. সম্+লাপ = সংলাপ
২১. অহম্+কার = অহংকার
২২. ভয়ম্+কর = ভয়ংকর

তবে কিছু ক্ষেত্রে ম-এর পরে যে-কোনো বর্গীয় বর্ণ থাকলে ম ধ্বনিটি সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি হয়।
যেমন—
১. শম্+কা =শঙ্কা
২. সম্+চয় = সঞ্চয়
৩. সম্+তাপ = সন্তাপ

সন্ধিবদ্ধ না হলে ঙ-এর স্থানে অনুস্বার (ং) হবে না।
যেমন—অঙ্ক, অঙ্গ, সঙ্গী, লঙ্ঘন, কঙ্কাল, আতঙ্ক, শৃঙ্খলা, প্রসঙ্গ।

দ্রষ্টব্যবাংলাবাংলাদেশ বানানে অনুস্বার অক্ষুণ্ন থাকবে।

সম্পূর্ণ দেখুন

ফারহান সাদিক শাহীন

পরিচালক, প্রমিত বাংলা চর্চা | শিক্ষার্থী (স্নাতক), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মন্তব্য করুন

Back to top button
Close